সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৩

মারা গেলে গুগলে থাকা তথ্যের কী হবে?

মারা গেলে গুগলে থাকা তথ্যের কী হবে?

  • আগেভাগেই করে যেতে পারেন ডিজিটাল সম্পদের ব্যবস্থাপনা আগেভাগেই করে যেতে পারেন ডিজিটাল সম্পদের ব্যবস্থাপনা
  • প্রথম ধাপ প্রথম ধাপ
  • দ্বিতীয় ধাপ দ্বিতীয় ধাপ
  • তৃতীয় ধাপ তৃতীয় ধাপ
ব্যবহারকারীর অবর্তমানে জি-মেইল, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট গুগল প্লাস, ইউটিউবসহ গুগলের নানা সেবায় সংরক্ষিত তথ্য কী করা হবে, তা নিয়ে আগেভাগে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে তাঁর সংরক্ষিত তথ্য নির্দিষ্ট সময় পর মুছে ফেলা বা অন্য কাউকে ডিজিটাল সম্পদ হিসেবে উত্তরাধিকারী মনোনীত করার সুবিধা দেওয়ার তথ্য জানিয়েছে গুগল কর্তৃপক্ষ। গুগলের সাম্প্রতিক এক ব্লগ পোস্টে গুগলে সংরক্ষিত তথ্যের ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইনঅ্যাকটিভ অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার নামে ‘টুল’ প্রকাশ করার তথ্য জানানো হয়েছে। গুগল অ্যাকাউন্টে এ টুলটি রয়েছে।
ব্যবহারকারী আগে থেকেই তাঁর অবর্তমানে গুগলে সংরক্ষিত তথ্যগুলোর ব্যবস্থাপনা নিয়ে নির্দেশনা দিতে পারবেন। গুগল কর্তৃপক্ষ ওই সময় মেনে ব্যবহারকারীর সরবরাহ করা সেকেন্ডারি মেইলে তথ্য ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত মেইল পাঠাবে।
দীর্ঘদিন ধরেই ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিয়ে দুর্ভাবনায় রয়েছেন। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মারা যাওয়ার পর তাঁর তথ্যগুলো যাতে বেহাত না হয়ে যায়, বিষয়টি নিয়ে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছিলেন।
গুগল বা ফেসবুক ব্যবহারকারী কেউ যখন মারা যান, তাঁর ব্যবহূত মেইল, গুগল প্লাস বা ফেসবুক পাতাটি দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে অব্যবহূত থেকে যায়। এসব সেবার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কেউ হয়তো কোনো অপরাধ করে বসতে পারে।
কম্পিউটার নিরাপত্তাপ্রতিষ্ঠান ম্যাকাফির বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কারও অবর্তমানে তাঁর ডিজিটাল সম্পদগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। ফেসবুক, টুইটার বা ভারচুয়াল সব অ্যাকাউন্ট আপনার ডিজিটাল সম্পদ হতে পারে। এগুলোর আর্থিক মূল্য আছে। এ সম্পদের ভবিষ্যত্ আগেভাগেই নির্ধারণ করে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ পরিকল্পনা বিশেষজ্ঞ জেমস ল্যাম।
ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি মারা গেলে তাঁর ‘লগইন পাসওয়ার্ড’ ও ‘ইউজার নেম’ ফেসবুক কাউকে সরবরাহ করে না। তবে পরিবারের কোনো সদস্য চাইলে ফেসবুকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অ্যাকাউন্টটি মুছে ফেলতে বা ফেসবুক মেমোরিয়াল পেজে রূপান্তর করতে পারেন।
ইয়াহুর নীতিমালা সবচেয়ে কঠোর। কারও মৃত্যু হলে ইয়াহু কর্তৃপক্ষ কখনো লগইন করার তথ্য দিতে বাধ্য নয়।
তবে জি-মেইল ও হটমেইল কর্তৃপক্ষের কাছে উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে মেইল করলে আলাদা একটি সিডিতে করে তথ্য সরবরাহ করে কর্তৃপক্ষ। তবে গুগল ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টিকে আরও সহজতর করতে সাম্প্রতিক পদক্ষেপ হিসেবে ব্যবহারকারীদের আগেভাগেই তথ্যের ভবিষ্যত্ নির্ধারণের সুযোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
অবশ্য, কোনো ওয়েবসাইটেই ডিজিটাল সম্পদের তথ্য জমা না রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
গবেষকেরা বলেন, অনলাইনে প্রকাশিত তথ্য কখনো চিরতরে মুছে ফেলা সম্ভব হয় না। এটি শুধু হাতবদল হয়ে রূপ বদলাতে পারে। তথ্য রিসাইকেল করে নানাভাবে ব্যবহূত হতে থাকে।

ডিজিটাল সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে জেমস ল্যামের পরামর্শ:
১. আপনার মূল্যবান ছবি, স্মৃতি একটি পেনড্রাইভে সংরক্ষণ করে রাখুন।
২. আপনার ডিজিটাল সম্পদের ওয়ারিশ বা দাবিদার আগে থেকে নির্ধারণ করে রাখুন।
৩. আপনার ডিজিটাল সম্পদ বা সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট, অনলাইন ব্যাংক, বিনিয়োগ, গেম বা অন্যান্য ভারচুয়াল প্রোফাইলের একটি তালিকা তৈরি করে রাখুন। এসব ওয়েবসাইটের ইউজার নেম, পাসওয়ার্ডসহ দরকারি তথ্য তালিকা করে রাখুন। আপনার অবর্তমানে এ সম্পদগুলোর মালিকানা কার হাতে যাবে, তা নির্ধারণ করে রাখুন বা সম্পদ কী করা হবে, তার নির্দেশনা দিয়ে রাখুন।
৪. আপনার উইল লেখার সময় ডিজিটাল সম্পদের কথাও উল্লেখ করে যান।
৫. আপনার ভারচুয়াল সম্পদগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করুন এবং তা ভালো কাজে লাগানোর প্রত্যাশা করুন বা আপনার অবর্তমানে চিরতরে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিন আপনার ডিজিটাল সম্পত্তির দাবিদারকে।

মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল, ২০১৩

কম্পিউটার চালু এবং বন্ধ হবে দ্রুত


অনেক সময় ধারণক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত সফটওয়্যার ব্যবহার করলে কম্পিউটার চালু এবং বন্ধ হতে বেশি সময় লাগতে পারে।ছোট কিছু সেটিংসের পরিবর্তন করে চালু এবং বন্ধ হওয়ার সময় কমানো যায়।
উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে Start মেনু থেকে Run-এ গিয়ে msconfig লিখে এন্টার করুন। Startup ট্যাব থেকে অপ্রয়োজনীয় স্টার্টআপ প্রোগ্রাম বা আইটেমগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিন। এই তালিকার আইটেমগুলো কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লোড হয়। অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম লোড হওয়ায় কম্পিউটার চালু হতে সময় নেয়। তাই যেগুলোর প্রয়োজন নেই, সেগুলোর ডান দিকের টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK এবং Apply করে বের হয়ে আসুন।
কম্পিউটার আবার চালু বা রিস্টার্ট করতে চাইলে Exit Without Restart নির্বাচন করে সেটি এড়িয়ে যান। এবার Notepad খুলে del c:/windows /prefetch/ntosboot *.* (*.* হচ্ছে এ-সংক্রান্ত সব ফাইল মুছে ফেলবে) কোডটা লিখে ফাইল থেকে Save As চেপে ntosboot.bat নামে ডেস্কটপে সংরক্ষণ করুন। এবার ডেস্কটপ থেকে ntosboot.bat ফাইলটি কপি করে C:/ ড্রাইভে পেস্ট করুন।
Start থেকে Run-এ গিয়ে gpedit.msc লিখে এন্টার করুন। Computer Configuration থেকে Windows Settings-এ ক্লিক করে Scripts (Startup/Shutdown)-এ আবার ক্লিক করে সেটি খুলুন। ডান পাশের Shutdown-এ দুই ক্লিক করে সেটি খুলে Add-এ ক্লিক করে Browse থেকে C:/ ড্রাইভে গিয়ে ntosboot.bat ফাইলটি দেখিয়ে দিয়ে OK চেপে Apply-এ ক্লিক করে আবার OK চেপে বের হয়ে আসুন।
এবার Run-এ গিয়ে devmgmt.msc লিখে এন্টার করুন। এখানে IDE ATA/ATAPI controllers-এ দুই ক্লিক করে Primary IDE Channel খুলুন। Advanced Settings থেকে Device 1-এর Device Type-এ None নির্বাচন করে OK চেপে বের হয়ে আসুন। এর পরের Secondary IDE channel-এ দুই ক্লিক করে সেটি খুলে একই নিয়মে Advanced Settings থেকে Device 1-এর Device Type-এ None নির্ধারণ করে OK চেপে বের হয়ে আসুন। সব কাজ যত্ন সহকারে করে কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে হবে। এখন থেকে প্রত্যেকবার কম্পিউটার চালু এবং বন্ধ হতে আগের তুলনায় অনেক কম সময় লাগবে।
                                                                            প্রথম আলো থেকে সংগ্রহকৃত

সোমবার, ১ এপ্রিল, ২০১৩

গ্রাফিক্স ডিজাইন


ডাটা এন্ট্রি বলেন, আর ভি-এ বলেন- পোর্ট ফলিওতে দু একটা নিন্মমানের লোগো ডিজাইন কিংবা ফটো এডিট থাকবেই। দোষের কিছু নয়, বলছি কি লাভ এতে? একটা বেপারই বোঝা যায়, ফটোশপ- কিংবা ইলাসট্রেটর সম্পর্কে এই লোকের কিছু ধারনা আছে। হয়ত আগ্রহও আছে। কিন্তু প্ল্যানিং নেই। কাজও নেই।
আবার অনেকে নতুন। এখনো কোন কাজ করছেন না। শুনেছেন, ডিজাইনারদের অনেক টাকা, তাই ডিজাইনিং শেখার জন্য, ফেসবুকে কাউকে অনলাইনে পেলেই টেক্সট করা শুরু করেন। কিভাবে করবো? কেন করব?কোথায় শিখব? আপনে শিখাবেন? বলা বাহুল্য, এই চ্যাটে গ্রাফিক ডিজাইন কি সেটা শেখানও সম্ভব হয়না। অজ্ঞতা যথেষ্ট বিরক্তি আসে- কারন এই লোকেরা মনে করে- ফেসবুকে অনলাইনে থাকা মানেই- এই লোক ফ্রি আছেন এবং যে কোন ধরনের উদ্ভট প্রশ্ন করা যায়। তাই- লিখার অভ্যাস না থাকলেও দু চার কলম লিখলাম। আশা করছি- ভুল গুলো আপনাদের চোখ এড়িয়ে যাবে। গ্রাফিক ডিজাইন একটি সৃষ্টিশীল কাজ। গতানুগতিক অন্য কাজগুলো থেকে আলাদা। এই কাজটির চাহিদা  আছে থাকবে। আপনি এখন যেই স্ক্রিনে এই লিখাটা পড়ছেন, সেটার শুরুও গ্রাফিক্স। যেই মোবাইলে আপনি জানে জিগারের সাথে কথা বলছেন- সেখানেও আছে গ্রাফিক্স। টেলিভিশন, ফিল্ম  থেকে শুরু করে, উচু উচু বিল বোর্ড - সব কিছুই গ্রাফিক্সের আওতাভুক্ত। সহজ কথায়- কম্পিউটারের মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দন যে কোন কাজকেই আমরা গ্রাফিক্স বলতে পারি। সুতরাং কাজটা মজার। কথা হল- কাজটা আপনার জন্য কি না।

১। প্রাথমিক যোগ্যতাঃ


আপনার কোন ফ্যান্টাসি আছে? কাউকে নিয়ে জেগে জেগে স্বপ্ন দেখেন? তার শরীরের কোন অংশটা সুন্দর, কোন অংশটায় খুত আছে- ধরতে পারেন? কোন রঙের লিপসটীক তাকে বেশি মানায়? কোন জামাটায় তাকে পরীর মতো লাগে? তাকে কখনো পুতুলের মতো সাজিয়ে রাখার চিন্তা করেছেন? উত্তর গুলো যদি পজিটিভ হয়- হবে- আপনাকে দিয়েই হবে। জাস্ট খালি ক্যানভাসটাকে আপনার গার্ল ফ্রেন্ড মনে করেন। মনে মনে মনের মতো করে সাজান। এক কানে না দিলে কিই বা হয়- ভেবে এক কানের কানফুল না দিয়ে চলে যাবেন না। সাজিয়েছেন? সুন্দর লাগছে? কনগ্রাটস -আপনি বরং ডিজাইনার।
আপনার কোন ফ্যান্টাসি নাই? নো প্রবলেম। আরেক জনের গার্ল ফ্রেন্ডরে সাজান!

২। ক্ষেত্র নির্বাচন করুনঃ


নিজেকে গ্রাফিক ডিজাইনার বলার আগে- আপনাকে কিছু সিদ্ধান্তে আসতে হবে। আপনার কোন দিকে আগ্রহ আছে? যেমনঃ এডভারটাইজিং, ওয়েবসাইট, মাল্টিমিডিয়া, প্রিন্ট ডিজাইন অথবা অ্যানিমেশন। এগুলোকে গ্রাফিক্স এর বিভিন্ন ক্ষেত্র বলা হয়। শুরু করার আগে, আপনার সমস্ত আগ্রহ একটা ক্ষেত্রে নিয়ে আসুন। যেটা আপনাকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষিত করে। যদিও ওয়েব এবং প্রিন্ট গ্রাফিক্স কিছুটা কাছাকাছি, তবে কিছু বেসিক পার্থক্য আপনাকে জানতে হবে। তাই, শুরু থেকেই ব্যাপারটায় ফোকাস দিলে- উন্নতি তাড়াতাড়ি আশা করা যায়।

৩। প্রয়োজনীয় টুলস জোগাড় করুনঃ


গ্রাফিক ইন্ডাস্ট্রিতে বিপ্লব ঘটানো দুটি সফটওয়্যার হল- এডোবি  ফটোশপ আর ইলাসট্রেটর। এই দুইটা দিয়েই শুরু করুন। সহজ ব্যবহার, অনন্য সাধারণ ফিচার। যে কোন শৈল্পিক কাজে- এদের চাইতে কার্যকরী কোন সফটওয়্যার চোখে পরে না। বাজারে সিডি কিনতে পাবেন। আর না হলে টরেন্ট থেকে ডাউনলোড করে নিন।

৪। বই কিনুনঃ


যে যাই বলুন। বইয়ের আপিল আমার কাছে অন্য রকম। বাজার থেকে কিছু বই কিনে নিন। উঠতে, বসতে, গাড়িতে কিংবা কারেন্ট গেলে বারান্দায় বসে- বই গুলোতে চোখ বুলান। ১৫০-২০০ টাকা খরচ করে যা শিখতে পারবেন।  ইন্টারনেট এ পাঁচ ঘণ্টা সার্ফিং করেও তার অর্ধেক পাবেন না। তবে- আমাদের দেশি বইগুল লিখাই হয়- আন্দরকিল্লা কিংবা নীলক্ষেতের গ্রাফিক ডিজাইনারদের উদ্দেশ্য করে। তাই মানের যথেষ্ট ঘাটতি আছে। মান সম্মত ই-বই ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারেন। মানের কমতি থাকবে না।

৫। ট্রেনিং নিনঃ


মানুষ সব চেয়ে বেশি শিখে দেখে। তাই ২/১ মাস কারো কাজ দেখুন। হতে পারে সেটা ট্রেনিঙের মতই নিয়মিত। এতে আপনার কাজের স্পৃহা বারবে। গতিও বারবে সন্দেহ নেই।

৬। গ্রাফিক কমিউনিটির সাথে ইনভল্ভ হনঃ


নিজে নিজে প্র্যাকটিস করাটা গ্রেট।  তবে মাঝে মাঝে নিজের কাজ গুলো অন্যদের দেখান। যদিও প্রথম দিকে এটা খুব পেইনফুল টাস্ক হবে কোন সন্দেহ নেই, অনেক সময় ভালো কিছু সাজেশন পেতে পারেন। তাই নিজের ইগোটাকে দমিয়ে রাখুন। অন্যের মতামতটাকে সিরিয়াসলি নিন।  আবার অন্যের কাজ গুলোও দেখা জরুরী। অন্যরা কি কাজ করছে তা দেখলে আপনি প্রেজেনট ফ্যাশন/ ট্রেনজ বুঝতে পারবেন। উপরন্তু- ফ্রিলেন্স কাজের ক্ষেত্রে এটা আরও অনেক বেশি দরকারি। সমপেশাজীবীদের সাথে বন্ধুত্ব গড়ুন, যোগাযোগ রাখুন, তাদের কাছ থেকে শেখার মন মানসিকতা তৈরী করুন। সফলতা খুব একটা দূরে নয়।